শিরোনাম
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : | ০৬:১৯ পিএম, ২০২৬-০৮-১১
দীর্ঘ তিন মাস ১৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে আবারও শুরু হয়েছে মাছ ধরা। মধ্যরাত থেকে নৌকা ও জাল নিয়ে হ্রদে নামতে শুরু করেন জেলেরা। মাছ আহরণ শুরু হওয়ায় জেলে, মাছ ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ফিরেছে কর্মচাঞ্চল্য। স্বস্তি ফিরেছে হ্রদের ওপর নির্ভরশীল জেলে পরিবারগুলোতেও।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল থেকে রাঙামাটির চারটি ল্যান্ডিং ঘাটে মাছ আসতে শুরু করে। একই সঙ্গে চালু হয়েছে শহরের বরফকলগুলো। বিএফডিসির অবতরণ ঘাটে মাছ ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের ব্যস্ততা বেড়েছে। মাছ আসতে শুরু করায় রাঙামাটি শহরের বিভিন্ন মাছের বাজারেও ফিরে এসেছে প্রাণচাঞ্চল্য।
কার্পজাতীয় মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন, পোনা মাছের সুষ্ঠু বৃদ্ধি নিশ্চিত করা এবং কাপ্তাই হ্রদের প্রাকৃতিক পরিবেশকে মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধির উপযোগী করে তুলতে রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তে গত ২৪ এপ্রিল দিবাগত মধ্যরাত থেকে হ্রদে মাছ শিকার, বাজারজাতকরণ ও পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। নির্ধারিত তিন মাস ১৫ দিন পর সোমবার মধ্যরাত থেকে সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়। এরপরই জেলেরা নৌকা ও জাল নিয়ে মাছ আহরণে নেমে পড়েন।
কাপ্তাই হ্রদ বৃহত্তর ব্যবসায়ী সাধারণ সম্পাদক আব্দুল শুক্কুর বলেন, দীর্ঘ তিন মাস ১৫ দিন পর মাছ শিকার শুরু হওয়ায় আবারও ব্যবসা শুরু করতে পেরেছেন তারা। তবে প্রথম দিকে মাছের আকার তুলনামূলক ছোট হওয়ায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘মাছের সাইজ খুবই ছোট। কীভাবে খরচ তুলব, তা নিয়ে চিন্তায় রয়েছি। ঢাকা ও চট্টগ্রামের বাজার ভালো থাকলে হয়তো খরচ উঠবে। না হলে লোকসানের মধ্যে পড়তে হবে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মাছের আকার বড় হলে কিছুটা লাভের মুখ দেখা যাবে।’
রাঙামাটি বিএফডিসির ব্যবস্থাপক (কমান্ডার) মো. ফয়েজ আল করিম বলেন, তিন মাস ১৫ দিন মাছ শিকার বন্ধ থাকার পর পুনরায় আহরণ শুরু হওয়ায় প্রথম দিনেই রাঙামাটি বিএফডিসির অবতরণ ঘাটে প্রচুর পরিমাণ মাছ এসেছে। বর্তমানে মাছের আকার কিছুটা ছোট হলেও আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মাছের সাইজ বড় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তিনি জানান, গত অর্থবছরে কাপ্তাই হ্রদ থেকে প্রায় সাড়ে ৮ হাজার মেট্রিক টন মাছ অবতরণ করা হয়েছিল। চলতি অর্থবছরে এ লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে ১০ হাজার মেট্রিক টন মাছ অবতরণের সক্ষমতা অর্জন করা হয়েছে। বর্তমানে জেলেরা স্বাচ্ছন্দ্যে মাছ আহরণ করছেন এবং ল্যান্ডিং কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। বাজারেও পর্যাপ্ত মাছ সরবরাহ হচ্ছে।
বড় মাছের উপস্থিতি প্রসঙ্গে বিএফডিসির ব্যবস্থাপক বলেন, বর্তমানে হ্রদে পানির পরিমাণ বেশি থাকায় বড় মাছ তেমন দেখা যাচ্ছে না। তবে পানি কমতে শুরু করলে বড় মাছের উপস্থিতি বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : নুরুল আবছার, মহেশখালী : কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের তাজিয়াকাটা-ঘটিভাঙ্গা এলা...বিস্তারিত
মামুনুর রশীদ সেলিম : : পিবিআই, সিআইডি ও ডিবি পুলিশের কর্মকর্তা পরিচয়ে বিভিন্ন মামলার বাদীদের কাছ থেকে গাড়ি ভাড়া ও তদন্ত খ...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : ফটিকছড়ি প্রতিনিধি : ফটিকছড়ির ভুজপুরে গণধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি মো.মনসুরকে নগরের পাহাড়তলী থানা এà...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : আবরার হাসান : চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হিসেবà§...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : আবরার হাসান : চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হিসেবà§...বিস্তারিত
আমাদের বাংলা ডেস্ক : : শেখ মোঃ এনামুল হক : সিরাজগঞ্জ জেলা জাতীয় পার্টির নবগঠিত ৩২ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি থেকে ২২ ন...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik Amader Bangla | Developed By Muktodhara Technology Limited